
অনলাইন ডেস্ক : বগুড়ার ঐতিহাসিক মহাস্থানগড় জাদুঘরে সংরক্ষিত ৪৭টি মূর্তি আসল নাকি রেপ্লিকা—তা যাচাইয়ে গঠিত তদন্ত কমিটির সবশেষ অগ্রগতি নিয়ে এক পর্যালোচনা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছে। জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম এনে এগুলো পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা হবে।
শনিবার (৩০ মে) দুপুর ১২টায় শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনও) কার্যালয়ে এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, বৈঠকে তদন্ত কার্যক্রমের সবশেষ অগ্রগতি, এ পর্যন্ত গৃহীত পদক্ষেপ এবং প্রাপ্ত তথ্য-উপাত্তের বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীকে অবহিত করেন কমিটির সদস্যরা। এসময় বিষয়টির গুরুত্ব ও সংবেদনশীলতা বিবেচনা করে তদন্ত কমিটির কার্যকাল আরও ১৫ কার্যদিবস বাড়ানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। পাশাপাশি মূর্তিগুলোর সত্যতা নিরূপণে অধিকতর নিরপেক্ষ ও বৈজ্ঞানিক মূল্যায়নের লক্ষ্যে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্নতত্ত্ব বিভাগের বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে একটি টিম এনে পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সিদ্ধান্ত গৃহীত হয়েছে।
তদন্ত কমিটির আহ্বায়ক ও শিবগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জিয়াউর রহমান বলেন, ‘মহাস্থানগড় দেশের গুরুত্বপূর্ণ প্রত্নতাত্ত্বিক ঐতিহ্য। এ বিষয়ে তদন্ত কমিটির সবশেষ পরিস্থিতি প্রতিমন্ত্রী মহোদয়কে অবহিত করা হয়েছে। আশা করছি, বর্ধিত সময়ের মধ্যেই তদন্ত কার্যক্রম শেষ হবে।’
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা যায়, ২০০৭ সালে ফ্রান্সে একটি আন্তর্জাতিক প্রদর্শনীর জন্য মহাস্থান জাদুঘর থেকে ৪৭টি প্রত্নতাত্ত্বিক নিদর্শন পাঠানো হয়েছিল। প্রদর্শনী শেষে সেগুলো ফেরত আসার পর কোনো প্রকার পরীক্ষা-নিরীক্ষা ছাড়াই দীর্ঘদিন ধরে জাদুঘরের স্টোর রুমে পড়ে ছিল। গত ১১ মে উপজেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির সভায় এ বিষয়ে প্রতিমন্ত্রীর কাছে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ উত্থাপিত হলে তিনি জরুরি ভিত্তিতে তদন্তের নির্দেশ দেন।
তথ্যসূত্র: জাগোনিউজ

