রাজশাহীতে ক্লাস্টার উন্নয়ন ও ক্যাপিটাল বিনিয়োগ উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশন এবং রেজিলিয়েন্ট আরবান এন্ড টেরিটোরিয়াল ডেভেলপমেন্ট প্রজেক্ট, এলজিইডি এর আয়োজনে ক্লাস্টার উন্নয়ন ও ক্যাপিটাল বিনিয়োগ উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক কর্মশালা অনুষ্ঠিত হয়েছে।

মঙ্গলবার (২১ এপ্রিল) নগর ভবনের সরিৎ দত্তগুপ্ত নগর সভাকক্ষে আয়োজিত কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মোঃ মাহফুজুর রহমান রিটন।

সভায় রাসিক প্রশাসক বলেন, মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান নারীদের ক্ষমতায়নে বিশেষ গুরুত্বারোপ করেছেন। ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ শুরু হয়েছে এবং তৃণমূল পর্যায়ে নারীদের উন্নয়নে বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।

তিনি আরও বলেন, নগর উন্নয়ন কর্মকাণ্ডে নাগরিক সম্পৃক্ততার বিষয়টি এই প্রকল্পে বিশেষভাবে গুরুত্ব পেয়েছে। নাগরিকদের সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে উন্নয়ন কাজ বাস্তবায়ন একটি ইতিবাচক দৃষ্টান্ত। রাজশাহী মহানগরীর সার্বিক উন্নয়নে নগরবাসীর আন্তরিক সহযোগিতা কামনা করি।

কর্মশালায় প্রকল্পের টিম লিডার জেন্ডার স্পেশালিস্ট সাজেদা বেগম, রাসিকের সচিব সোহেল রানা, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারঃ) আহমদ আল মঈন পরাগ, জুনিয়র সোশ্যাল ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট এমটিএস মেহমুদ, আরবান প্ল্যানার সাইফুর রহমান, সোশ্যাল ম্যানেজমেন্ট স্পেশালিস্ট হাসিবুল হক, জুনিয়র এনভারমেন্টাল স্পেশালিস্ট মোঃ আল আমিন, সিটি কর্পোরেশন টাউন-লেভেল কোঅর্ডিনেশন কমিটির সদস্যবৃন্দ, প্রকল্পের কারিগরি বিশেষজ্ঞ এবং সংশ্লিষ্ট পরামর্শকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

কর্মশালায় বক্তারা বলেন, প্রকল্পের প্রধান উদ্দেশ্য হচ্ছে নির্বাচিত ক্লাস্টারে অবস্থিত পৌরসভা ও সিটি কর্পোরেশনে জলবায়ু সহনশীল নগর অবকাঠামো ও পরিষেবা সুমুহের পরিবৃদ্ধি করা, নগর ব্যবস্থাপনার দক্ষতা জোরদার করা, অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি সম্প্রসারণ, গ্রামীণ ও নগর এলাকার মধ্যে অর্থনৈতিক সম্পর্ক জোরদার করা। কর্মশালার মূল উদ্দেশ্য হচ্ছে পৌরসভা ও সিটি কপোরেশনগুলোর ক্লাষ্টার উন্নয়ন পরিকল্পনা, মূলধন বিনিয়োগ পরিকল্পনা এবং জলবায়ু সহনশীল কর্মপরিকল্পনা প্রণয়নে সক্ষমতা বৃদ্ধি করা, ক্লাস্টার ভিত্তিক উন্নয়ন প্রক্রিয়ায় সম্পদ ব্যবস্থাপনা, প্রকল্প সমন্বয় ও যৌথ উদ্যোগ গ্রহণের দিকনির্দেশনা প্রদান এবং অগ্রাধিকার ভিত্তিতে স্থানীয় পর্যায়ে অবকাঠামো, সেবা প্রদান ও আর্থ-সামাজিক উন্নয়নের চাহিদা চিহ্নিত করা।

কর্মশালায় জানানো হয়, প্রথম পর্যায়ে প্রকল্পটি ৮১টি পৌরসভা এবং ৬টি সিটি কর্পোরেশনে বাস্তবায়িত হবে, যা বাংলাদেশের ৩৬টি জেলাকে অন্তর্ভুক্ত করছে। প্রকল্প বাস্তবায়নের মাধ্যমে বিপুল সংখ্যক মানুষ উপকৃত হবেন, যার অর্ধেকই নারী। প্রকল্পের আওতায় রাস্তা ও ফুটপাত, সড়কবাতী উন্নয়ন, ড্রেন নির্মাণ, পাবলিক টয়লেট, বাজার ও বাস টার্মিনাল উন্নয়ন, ডাম্পিং স্টেশন, সুপারমার্কেট, ব্রিজ ও কালভার্ট নির্মাণ, পৌরভবন নির্মাণসহ আধুনিক নগর সেবার বিভিন্ন দিক উন্নয়ন করা হবে। বিশ্ব ব্যাংকের অর্থায়নে বাস্তবায়নাধীন এই প্রকল্প সামাজিক ও পরিবেশগত দিক বিবেচনা করে এবং নারীর অংশগ্রহণ নিশ্চিত করে পরিচালিত হবে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *