ভোট নিয়ে এসেছে উৎসবের আমেজ

নিয়ামতপুর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: রশিদুল ইসলাম জিলাপিটা মুখে নিয়ে হাঁটা দিলেন। মোখলেসুর রহমান তাঁকে বারবার ডাকছিলেন অবশিষ্ট জিলাপি শেষ করার জন্য। ঘড়িতে সময় তখন বিকাল চারটা। ভোট শেষ হওয়ার আর ৩০ মিনিট বাকী রয়েছে। তাই জিলাপি শেষ না করেই রশিদুল ইসলাম ভোট কেন্দ্রের দিকে দ্রুত গতিতে হাঁটা দিলেন।

এমনই দৃশ্য দেখা গেল নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার ভবানীপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ভোট কেন্দ্র এলাকায়। ভোট উপলক্ষে সেখানে উৎসবমুখর পরিবেশের সৃষ্টি হয়েছিল। ভোট কেন্দ্রের বাহিরে বসেছিল মুখরোচক খাবারের দোকান। সবাই মিলে একসাথে খেয়েছেন জিলাপি আর বাদাম। খাওয়ার মাঝে চলছিল খুনসুটি।

রশিদুল ইসলাম নামের একজন ভোটার জানালেন, ‘এলাকার বন্ধুবান্ধবেরা এক জায়গায় হওয়া হয় না। ভোট উপলক্ষে সবাই মিলে এক জায়গায় হয়েছিলাম। তাই জিলাপি খাওয়া হলো। খুব ভালো লাগলো।’

মোখলেসুর রহমান বলেন, ‘এক কেজি জিলাপি কিনেছিলাম। সবাই মিলে খেলাম। আরও এক কেজি দিতে বলেছি। ভাজা হলে দিবে।’

নয়ন কৃষ্ণ পাল মাটির হাঁড়ি, ব্যাংক, পিঠা তৈরির খোলা আর বাদাম নিয়ে এসেছিলেন। বিকেলে জানালেন, সব মাটির ব্যাংক বিক্রি হয়ে গেছে। ছয় কেজি বাদামও বিক্রি হয়েছে। কয়েকটি মাটির হাঁড়ি বিক্রি হয়েছে। বাড়ি চলে যাচ্ছি। বেচাবিক্রি নিয়ে সন্তুষ্ট বলে জানালেন।

একজন জিলাপি বিক্রেতা বলেন, ‘জিলাপি ভাজার জন্য ৪০কেজি বেসন এনেছিলাম। সবগুলো ভেজে ফেলেছি। আর কেজি পাঁচেক বাকি আছে। সেগুলোও বিক্রি হয়ে যাবে।’ মিষ্টিও ভালো বিক্রি হয়েছে বলে জানালেন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *