
স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহীর বিভিন্ন স্থানে তিনবারের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ও বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে দলীয় নেতাকর্মী, ধর্মপ্রাণ মুসল্লি ও সাধারণ মানুষের ব্যাপক অংশগ্রহণ দেখা যায়।
বুধবার বাদ যোহর রাজশাহী মহানগর বিএনপির উদ্যোগে মহানগরীর টিকাপাড়া ঈদগাহ মাঠে গায়েবানা জানাজার আয়োজন করা হয়। জানাজা শেষে তাঁর রুহের মাগফিরাত কামনায় বিশেষ দোয়া ও মোনাজাত অনুষ্ঠিত হয়।
জানাজায় উপস্থিত ছিলেন রাজশাহী মহানগর বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক বীর মুক্তিযোদ্ধা অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা, বোয়ালিয়া থানা পূর্ব বিএনপির সভাপতি আশরাফুল ইসলাম নিপু, সাংগঠনিক সম্পাদক খোরশেদ আলম রিংকু, বিএনপি নেতা আমিরুল ইসলাম রঞ্জু, রুবেল, ভূগোল, ইসলাম, আকতারসহ মহানগর বিএনপি এবং অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা।
জানাজা পূর্ব সংক্ষিপ্ত বক্তব্যে অ্যাডভোকেট এরশাদ আলী ঈশা বলেন, বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়া কখনো অন্যায়ের সঙ্গে আপোস করেননি। তিনি দেশের মানুষকে গভীরভাবে ভালোবাসতেন। এজন্য শত নির্যাতন সহ্য করেও দেশ ছেড়ে যাননি এবং দেশের মাটিতেই অবস্থান করেছেন।
একই সময়ে রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় মসজিদ প্রাঙ্গণে পৃথকভাবে গায়েবানা জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। এতে ইমামতি করেন কেন্দ্রীয় মসজিদের সহকারী ইমাম হাফেজ মাওলানা সাহাজুল ইসলাম। জানাজায় বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. সালেহ হাসান নকীব, উপ-উপাচার্য অধ্যাপক ড. ফরিদ উদ্দীনসহ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা, শিক্ষক ও কর্মচারীরা অংশ নেন।
এছাড়া রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলাতেও গায়েবানা জানাজা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। বুধবার বিকেলে তানোর সদরের গোল্লাপাড়া বাজার মাঠে বিএনপির উদ্যোগে গায়েবানা জানাজা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক মানুষ অংশ নেন। দোয়া পরিচালনা করেন গোল্লাপাড়া বাজার জামে মসজিদের পেশ ইমাম মাওলানা আব্দুল্লাহ।
একই দিনে তানোরে মুন্ডুমালা পৌর বিএনপির উদ্যোগে গায়েবানা জানাজা ও দোয়া মাহফিলের আয়োজন করা হয়। পৌর বিএনপির নেতা তৌহিদুর রহমান রেজা মাস্টারের নেতৃত্বে এ কর্মসূচিতে কয়েক হাজার মানুষ অংশগ্রহণ করেন।
রাজশাহীর বিভিন্ন উপজেলায় পৃথক পৃথকভাবে গায়েবানা জানাজা ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়েছে বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে।

