মানবিক হলেই অনেক কিছু বদলে যেতে পারে : পিয়া জান্নাতুল

অনলাইন ডেস্ক : দেশের গ্ল্যামার জগতের অন্যতম পরিচিত মুখ পিয়া জান্নাতুল। র‍্যাম্প মডেলিং থেকে শুরু করে অভিনয় কিংবা আইন পেশা সবখানেই তিনি নিজের মেধার স্বাক্ষর রেখেছেন। তবে এবার পর্দার কোনো গল্প নয়, বরং দেশের চিকিৎসাব্যবস্থার রূঢ় বাস্তব চিত্র নিয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে সোচ্চার হলেন এই তারকা।

এক পোস্টে দেশের নামী হাসপাতালগুলোর সেবা ও অব্যবস্থাপনা নিয়ে তীব্র ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন পিয়া। দীর্ঘ সময় হাসপাতালে অপেক্ষার যন্ত্রণা এবং রোগীদের প্রতি কর্তৃপক্ষের উদাসীনতাকে তিনি অত্যন্ত অমানবিক বলে অভিহিত করেন।

পিয়া জান্নাতুল তার পোস্টে লেখেন, ‘হাসপাতালে রোগীরা ঘণ্টার পর ঘণ্টা বসে থাকে ব্যথা, দুশ্চিন্তা আর ক্লান্তি নিয়ে। তবুও যেন কারও তেমন মাথাব্যথা নেই। অথচ কেউ শখ করে হাসপাতালে আসে না; সবাই আসে বাধ্য হয়ে, নিজের স্বাস্থ্যের জন্য।’

দেশের তথাকথিত নামিদামি বা ‘বেস্ট’ হাসপাতালগুলোর নাম উল্লেখ না করে তিনি বলেন, ‘সবচেয়ে কষ্টের ব্যাপার হলো, তথাকথিত বেস্ট হাসপাতালগুলোতেও সময়ের কোনো মূল্য নেই এত লোকজন, এত সিস্টেম থাকার পরও এই অবস্থা।’

অভিনেত্রীর মতে, পর্যাপ্ত টাকা খরচ করেও রোগীরা সঠিক সময়ে সেবা ও সম্মান পাচ্ছেন না। আর এই কারণেই সামর্থ্যবানরা বিদেশের হাসপাতালে ছুটছেন বলে মনে করেন তিনি। তার কথায়, ‘এই কারণেই যাদের সামর্থ্য আছে, তারা চিকিৎসার জন্য বিদেশে যেতে চায় শুধু ভালো চিকিৎসার জন্য না, একটু সম্মান আর মানবিক ব্যবহারের আশায়।’

একজন অসুস্থ মানুষের সময়ের গুরুত্ব কেন দেওয়া হয় না, সেই প্রশ্ন তুলে পিয়া আরও বলেন, ‘রোগী বলেই কি তার সময়ের কোনো দাম নেই? একটু মানবিক হলেই অনেক কিছু বদলে যেতে পারে।’

প্রসঙ্গত, শোবিজের পাশাপাশি আইন পেশাতেও যুক্ত পিয়া জান্নাতুল। সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী তিনি। হবিগঞ্জ-৪ আসনের আওয়ামী লীগের সাবেক সংসদ সদস্য এবং সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী ব্যারিস্টার সৈয়দ সায়েদুল হক সুমনের সঙ্গে তিনি কাজ করতেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *