রাবিতে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত

স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন করা হয়। এদিন ভোরে সূর্যোদয়ের সাথে সাথে প্রশাসন ভবন-১সহ অন্যান্য ভবনে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হয়। সকাল ৭টায় উপাচার্য প্রফেসর মো. ফরিদুল ইসলাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনারে ও সকাল ৭:৩০ মিনিটে গণকবর স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন।

এসময় উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন, উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা: ফরিদ উদ্দীন খান, কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মতিয়ার রহমান, প্রক্টর প্রফেসর মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর মো. আমিরুল ইসলাম, জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদার, অনুষদ অধিকর্তা, হল প্রাধ্যক্ষ ও প্রশাসনের অন্যান্য ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিশিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।

পরে হল প্রশাসন, রাকসু, বিভাগ, ইনস্টিটিউট, শিক্ষক সমিতিসহ অন্যান্য প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের পক্ষ থেকে শহীদ মিনার ও গণকবর স্মৃতিফলকে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়।

বিকেল ৫টায় উপাচার্য ভবনে রাবির শহীদ পরিবার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে শুভেচ্ছা বিনিময় করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি উপাচার্য প্রফেসর মো. ফরিদুল ইসলাম। স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপন কমিটির সভাপতি উপ-উপাচার্য (শিক্ষা) প্রফেসর মোহা: ফরিদ উদ্দীন খানের সভাপতিত্বে এই অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি ছিলেন উপ-উপাচার্য (প্রশাসন) প্রফেসর মোহাম্মদ মাঈন উদ্দীন ও কোষাধ্যক্ষ প্রফেসর মো. মতিয়ার রহমান।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য শহীদ পরিবার ও বীর মুক্তিযোদ্ধাদের ফুলেল শুভেচ্ছা জানান। সেখানে বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আবুল কালাম আজাদ, মো. ফজলুল হক, আবুল কালাম আজাদ, মো. মোতাহার হোসেন প্রমুখ স্মৃতিচারণ করে বক্তব্য রাখেন।

অনুষ্ঠানে উপাচার্য তাঁর বক্তব্যে বাংলাদেশের স্বাধীনতা অর্জনে বীর মুক্তিযোদ্ধাদের অবদান একাধারে আত্মত্যাগ ও গৌরবের বলে উল্লেখ করেন। এই অবদান চির অম্লান হয়ে থাকবে। জাতি তাঁদের কাছে চিরঋণী বলেও তিনি বলেন।

সেখানে অন্যদের মধ্যে প্রক্টর প্রফেসর মো. মাহবুবর রহমান, ছাত্র-উপদেষ্টা প্রফেসর মো. আমিরুল ইসলাম অনুষদ অধিকর্তা, হল প্রাধ্যক্ষ, প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা ও বিশিষ্ট শিক্ষকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। জনসংযোগ দপ্তরের প্রশাসক প্রফেসর মো. আখতার হোসেন মজুমদার অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন।

দিবসের কর্মসূচিতে আরো ছিল, সকাল ৯টায় নিজ নিজ কার্যালয়ে রাকসু, অফিসার সমিতি, সহায়ক কর্মচারী সমিতি, সাধারণ কর্মচারী ইউনিয়ন ও পরিবহন টেকনিক্যাল কর্মচারী সমিতির আলোচনা সভা; বাদ জোহর কেন্দ্রীয় জামে মসজিদে বিশেষ মোনাজাত এবং সন্ধ্যায় কেন্দ্রীয় মন্দিরে বিশেষ প্রার্থনা। এদিন শহীদ স্মৃতি সংগ্রহশালা সকাল ৬:৩০ মিনিট থেকে বিকাল ৪টা পর্যন্ত দর্শকদের জন্য খোলা ছিল।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *