রাজশাহীতে “বিসিএসআইআর-এর বিজ্ঞান ও শিল্প-প্রযুক্তি মেলার উদ্বোধন

স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ বিজ্ঞান ও শিল্প গবেষণা পরিষদ, রাজশাহী গবেষণাগারের আয়োজনে তিন দিনব্যাপী (২৯–৩১ জানুয়ারি) “বিসিএসআইআর-এর বিজ্ঞান ও শিল্প-প্রযুক্তি মেলা–২০২৬” শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার সকাল এগারোটায় এক উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের মধ্য দিয়ে মেলা আরম্ভ হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিএসআইআর-এর সম্মানিত সদস্য (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) ড. মোসা: হোসনে আরা বেগম, বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বিসিএসআইআর-এর গবেষণা সমন্বয়কারী ড. মোঃ শাহ জামাল। উক্ত অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিসিএসআইআর রাজশাহী গবেষণাগারের পরিচালক মোঃ হাবিবুর রহমান ভূঁঞা, সিএসও।

অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন বিসিএসআইআর রাজশাহী গবেষণাগারের প্রধান বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ‍রুহুল আমিন। তিনি তাঁর বক্তব্যে গবেষণাগারের সবাইকে স্বাগত জানান এবং বিভিন্ন আন্তর্জাতিক অলিম্পিয়াডে বাংলাদেশের শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন অর্জন তুলে ধরেন। অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি ড. মোঃ শাহ জামাল তাঁর বক্তব্যে বলেন, টেকসই উন্নয়ন, জলবায়ু পরিবর্তন ও জ্বালানি নিরাপত্তা বিষয়ে গবেষণার গুরুত্বরোপ করেন। পাশাপাশি তিনি গবেষণার দ্বারা জাতীয় ও আন্তর্জাতিক প্লাটফর্মে যায়গা করে নেবার বিষয়ে ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের উৎসাহ প্রদান করেন।

প্রধান অতিথি ড. মোসা: হোসনে আরা বেগম তাঁর বক্তব্যে বিজ্ঞানমনস্ক জাতি গঠনের জন্য এবং অভিভাবকমন্ডলী এবং শিক্ষকদের সহযোগিতার জন্য অনুরোধ করেন। এছাড়াও তিনি বিশ্বের সাথে তাল মিলিয়ে চলার জন্য নতুন টেকনোলজি জানার বিরুয়ে গুরুত্বারোপ করেন। অনুষ্ঠানের সভাপতি মোঃ হাবিবুর রহমান ভূঁঞা তাঁর বক্তব্যে বলেন, এ মেলার প্রকৃত উদ্দেশ্য হল নতুন প্রজন্মের মাঝে বিজ্ঞান চর্চার মাধ্যমে নতুন প্রশ্নের উত্তর খোঁজার আগ্রহ সৃষ্টি করা। পরিবেশে তিনি সকলকে নিজের দায়িত্ববোধ থেকে দেশের উন্নয়নের জন্য কাজ করার আহ্বান জানান। পরবর্তীতে প্রধান অতিথি বিসিএসআইআর-এর সম্মানিত সদস্য (বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি) ড. মোসা: হোসনে আরা বেগম মেলার উদ্ভোধন করেন এবং মেলার বিভিন্ন স্টল পরিদর্শন করেন।

এ মেলায় রাজশাহীর স্বনামধন্য স্কুল, কলেজ ও ক্লাসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা বিজ্ঞান ও প্রযুক্তির বিভিন্ন উদ্ভাবনী স্টল দিয়ে ৫১টির বেশি বৈজ্ঞানিক প্রজেক্টের মাধ্যমে মেলাটিকে সুসজ্জিত করেছে। সকলের জন্য মেলা প্রতিদিন সকাল ৯টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত উন্মুক্ত থাকবে। শিক্ষার্থীদের তিনটি গ্রুপে ৬ষ্ঠ–৮ম শ্রেণি (A-গ্রুপ), ৯ম–১০ম শ্রেণি (B-গ্রুপ), ১১–১২শ শ্রেণি/ডিপ্লোমা (C-গ্রুপ) বিভক্ত করে মেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ দেয়া হয়েছে। শিক্ষার্থীরা তাদের উদ্ভাবিত প্রকল্পসমূহ মেলায় প্রদর্শন করবে। মেলার সমাপনী দিনে স্টল মূল্যায়নের মাধ্যমে শ্রেষ্ঠত্ব অর্জনকারী ১ম, ২য় ও ৩য় স্টলকে বিশেষ পুরস্কার ছাড়াও প্রত্যেক স্টলকে সনদ প্রদান করা হবে।

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *