স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের উদ্যোগে যথাযোগ্য মর্যাদায় জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস-২০২৬ পালন করা হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে বুধবার সকাল ৯টায় রাজশাহী নগরীর সিএন্ডবি মোড়ে জুলাই শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন ভূমিমন্ত্রী মিজানুর রহমান মিনু, এমপি এবং রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক মো. মাহফুজুর রহমান রিটন।
এ সময় রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা মোঃ রেজাউল করিম, সচিব মোঃ সোহেল রানা, স্পেশাল মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মোঃ ফয়সল তারেক, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী খায়রুল বাকের, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী (ভারপ্রাপ্ত) আহমদ আল মঈন পরাগ, প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা শেখ মোঃ মামুন, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডাঃ এফ.এ.এম আঞ্জুমান আরা বেগম, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা আবু সালেহ মোঃ নূর-ঈ সাঈদ, বাজেট কাম হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ শফিকুল ইসলাম খান, নির্বাহী প্রকৌশলী (বিদ্যুৎ) এবিএম আসাদুজ্জামান সুইট, নির্বাহী প্রকৌশলী (উন্নয়ন) মোঃ মাহমুদুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী নিলুফার ্ইয়াসমিন, সহকারী প্রকৌশলী মোঃ শাহেদুজ্জামান জীবন, সহকারী প্রকৌশলী আসিফুল হাবিব নিবির, উপ-প্রধান পরিচ্ছন্ন কর্মকর্তা সেলিম রেজা রঞ্জু, রাজস্ব কর্মকর্তা সারোয়ার হোসেন খোকন, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা নিজামুল হোদা, হিসাব রক্ষণ কর্মকর্তা মোঃ সহিদুল হক, জনসংযোগ কর্মকর্তা মোস্তাফিজুর রহমান মিশু সহ বিভিন্ন শাখার কর্মকর্তাবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের কর্মচারী ইউনিয়নের পক্ষ থেকে শহীদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ করা হয়েছে। এ সময় রাসিক কর্মচারী ইউনিয়ন সভাপতি মোঃ সাকিল, সাধারণ সম্পাদক সানারুল ইসলাম ছবি সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।
এছাড়া দিবসটি উপলক্ষে জুলাই শহিদ পরিবার ও জুলাই যোদ্ধাদের সম্মানে সংবর্ধনা ও দিবসের তাৎপর্য তুলে ধরে বেলা ১১টায় জেলা শিল্পকলা একাডেমী, রাজশাহীতে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় অংশগ্রহণ, জুলাই শহিদদের বিদেহী আত্মার মাগফেরাত, জুলাই যোদ্ধাদের সুস্বাস্থ্য এবং জাতির শান্তি, সমৃদ্ধি, দেশের উন্নয়ন ও অগ্রগতি কামনা করে সিটি কর্পোরেশনের সোনাদীঘি জামে মসজিদ ও নগর ভবনের ওয়াক্তিয়া মসজিদসহ কর্পোরেশন এলাকার সকল মসজিদ, মন্দির, গীর্জা, প্যাগোডা ও অন্যান্য উপাসনালয়ে মোনাজাত/প্রার্থনা, রাজশাহী সিটি কর্পোরেশনের প্রধান প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহে জাতীয় পতাকাসহ বিভিন্ন ব্যানার, ফেস্টুন ও রঙিন নিশান দ্বারা সজ্জিতকরণ, কেন্দ্রীয় বোটানিক্যাল গার্ডেন ও চিড়িয়াখানা শিশুদের জন্য উন্মুক্ত রাখা এবং বিনা টিকিটে প্রদর্শনের ব্যবস্থা করা হয়।