স্টাফ রিপোর্টার : রাজশাহী চেম্বার অব কমার্স অ্যান্ড ইন্ডাস্ট্রির (২০২৬-২৮) দ্বিবার্ষিক পরিচালনা পর্ষদ নির্বাচনে নেতৃত্ব নির্বাচনে জমে উঠেছে ভোটযুদ্ধ। সভাপতি, সিনিয়র সহ-সভাপতি, সহ-সভাপতি ও পরিচালক—এই চারটি পদে মোট ৪৬ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
শনিবার (১৮ এপ্রিল) সকাল ৮টা থেকে বিকাল ৫টা পর্যন্ত একটানা ভোটগ্রহণ চলছে।নির্বাচনকে কেন্দ্র করে প্রার্থীদের মধ্যে ব্যাপক উৎসাহ-উদ্দীপনা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।
ভোটকেন্দ্রে সকাল থেকেই ভোটারদের উপস্থিতি দেখা গেছে। প্রার্থীরা শেষ সময় পর্যন্ত ভোটারদের সমর্থন আদায়ে সক্রিয় ছিলেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বোয়ালিয়া সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও নির্বাচন বোর্ডের চেয়ারম্যান মো. আরিফ হোসেন। তিনি জানান, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে নির্বাচন সম্পন্ন করতে সব ধরনের প্রস্তুতি গ্রহণ করা হয়েছে। ভোটকেন্দ্রে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর উপস্থিতি নিশ্চিত করা হয়েছে।
নির্বাচনে সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন তিনজন—মো. হাসেন আলী, আব্দুল আওয়াল খান চৌধুরী জ্যোতি ও খন্দকার মিজানুর রহমান। সিনিয়র সহ-সভাপতি পদে রয়েছেন শফিউল আলম ও শামসুর রহমান শান্তন। সহ-সভাপতি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন আলহাজ্ব জিয়া উদ্দিন আহমেদ ও একেএম সারওয়ার জাহান।
পরিচালক পদে সবচেয়ে বেশি প্রতিদ্বন্দ্বিতা হচ্ছে। ট্রেড গ্রুপ পরিচালক পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন নজরুল ইসলাম হেলাল ও এসএম আহসান হাবীব। সাধারণ সদস্য পরিচালক পদে ৩৭ জনের বেশি প্রার্থী অংশ নিয়েছেন। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলেন—মোবাশ্বের আলী, শাকিলুর রহমান, শাহজাহান আলী, শাহ মো. মাইনুল হোসেন, ফরহাদ হোসেন, রুহুল আমিন, সাইফুল ইসলাম পিন্টু, আহসান হাবিব, মনজুর রহমান, ইমাম মেহেদী, আব্দুর রহিম, কামরুজ্জামান, তৌহিদ হাসান, তাসনিম হোসেন, সাইফুল ইসলাম হীরক, শামসুজ্জামান, এজেএম জান্নাতুল ইসলাম শওকত, মাহমুদ হাসান, মাইনুল হক, গোলাম সাকলাইন, শাহিন ইকবাল, খাজা তারেক, শওকাত খান, আমিনুল ইসলাম, মিজানুর রহমান খান, ফারুক হোসেন, আতিক শাহরিয়ার, এনাজুল হক, সাদমান সাকিব প্রিয়, সৈয়দ আহমদ জাকী, ইকবাল হোসেন, শরিফুল ইসলাম, আসাদুজ্জামান, হাসিবুল আলম, শেখ সেলিম আহমেদ, রেজাউল করিম ও আব্দুল হামিদ। এছাড়াও নির্বাচন বোর্ডের সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন জেলা প্রশাসনের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অভিজিৎ সরকার ও বোরহান উদ্দিন অন্তর এবং চেম্বারের সচিব মুয়াক্ষেরুক হুদা। ব্যবসায়ী নেতারা আশা করছেন, এই নির্বাচনের মাধ্যমে যোগ্য নেতৃত্ব নির্বাচিত হবে এবং রাজশাহীর ব্যবসা-বাণিজ্যে নতুন গতি সঞ্চার হবে।