
চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা প্রতিনিধি : চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে চুরি হওয়া ৮টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেছে। সেই সঙ্গে একজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। গ্রেপ্তারকৃত যুবক জেলার শিবগঞ্জ উপজেলার দাদনচক (আরাজী চৌকা) গ্রামের মো. শামিম উদ্দিনের ছেলে মো. রাহাত আলী (২৮)। সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মো. মতিউর রহমান জানান, গত ২৭ জুলাই সদর উপজেলার গোবরাতলা ইউনিয়নের ঘুঘুডিমা গ্রামের মৃত আব্দুল করিমের ছেলে মো. আব্দুস ছাত্তারের (৫৫) একটি মোটরসাইকেল তার বাড়ি থেকে চুরি হয়। এঘটনায় তিনি সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলার সূত্র ধরে বিভিন্ন তথ্যের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা এসআই হরেন্দ্রনাথ দেবদাশের নেতৃত্বে পুলিশি অভিযান পরিচালনাকালে দাদনচক আদিনা কলেজ এলাকার মো. জালাল উদ্দিনের ছেলে মো. সোহেল রানা (২৩) ও একই এলাকার বাবুর ছেলে মো. শিহাব (২১) গত ২৭ জুলাই দিবাগত রাত সোয়া ৪টায় গোমস্তাপুর উপজেলার শুক্রবাড়ি মুক্তাগাতি ক্লাব এলাকায় জনতার হাতে আটক হয়। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা তাদেরকে মো. আব্দুস ছাত্তারের দায়ের করা মামলায় গ্রেপ্তার করে পুলিশ হেফাজতে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য রিমান্ডের আবেদন করলে আদালত ২ দিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। পুলিশি জিজ্ঞাসাবাদ শেষে সোহেল রানা ফৌজদারী কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। জবানবন্দিতে সোহেল ঘটনার সাথে জড়িত শিবগঞ্জ উপজেলার দাদনচক (আরাজী চৌকা) গ্রামের মো. শামিম উদ্দিনের ছেলে মো. রাহাত আলীর নাম প্রকাশ করে। সোহেলা রানা পুলিশকে জানায়, রাহাতের বাড়িতে অনেক চোরাই মোটরসাইকেল আছে। তার দেয়া তথ্যের ভিত্তিতে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা রবিবার (১০ আগস্ট) রাহাতকে নিজ বাড়ি হতে আটক করেন এবং তার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শিবগঞ্জ উপজেলার তারাপুর মন্নাপাড়ার মো. আলমের ছেলে মোহাম্মদ আলীর (২২) বাড়ি হতে আব্দুস সাত্তারের মোটরসাইকেলসহ মোট ৮টি মোটরসাইকেল উদ্ধার করেন। ওসি আরো জানান, উদ্ধারকৃত মোটরসাইকেলগুলো সদর থানায় রাখা হয়েছে। আদালতের আদেশক্রমে এর মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হবে।